মোংলা বন্দরে অবৈধ উপায়ে স্বামী-স্ত্রীর চাকুরী, তদন্তে মাঠে নেমেছে দুদক

আবু হানিফ, বাগেরহাট অফিস : মোংলা বন্দরের ট্রাফিক বিভাগের রাজস্ব শাখার সিনিয়র আউটডোর এ্যাসিন্টেট ইবনে হাসান ও একই বন্দরের প্রশাসন বিভাগে তার স্ত্রী কানিজ হাসান অবৈধ উপায়ে বাগিয়ে নিয়েছেন চাকুরী। ২০১৩ সালে মোংলা বন্দরের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে জেলা কোঠায় গোপালগঞ্জ ও নড়াইল জেলার নাম না থাকলেও তারা ওই দুই জেলার বাসিন্ধা হয়ে নিয়োগ কমিটির সদস্যদের ম্যানেজ করে কৌসলে চাকুরী বাগিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অবৈধ উপায়ে চাকুরী পেয়ে ইতিমধ্যেই এই দম্পতি পদোন্নতিও পেয়েছেন। এমন অভিযোগ তদন্তে মাঠে নেমেছে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘ’র (সিবিএ) সভাপতি মো. সাইজউদ্দিন মিঞা জানান, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক প্রশাসন হাওলাদার জাকির হোসেন, সচিব মো. হেলাল উদ্দিন ভূইয়া এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয়ের একজন প্রতিনিধি ২০১৩ সালে বন্দরের নিয়োগ কমিটির দায়িত্বে ছিলেন। ওই সময়ে ইবনে হাসান ও তার স্ত্রী কানিজ হাসান অবৈধ উপায়ে চাকুরী পেয়েছেন। এজন্য নিয়োগ কমিটি দায়ী, আমাদের সিবিএর কোন দায় নেই। সম্পূর্ণ অবৈধভাবে এ দু’জন চাকরীতে নিয়োগ পেয়ে ইতিমধ্যে পদন্নোতিও পেয়েছেন। এ ব্যাপারে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমি তিন মাস হয়েছে এখানে এসেছি, এ বিষয়ে ভাল বলতে পারবো না। তবে ইবনে হাসান এবং কানিজ হাসানের নিয়োগ অবৈধের প্রমাণ হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া বলে জানান তিনি। মোংলা বন্দর ট্রাফিক বিভাগের প্রধান পরিচালক (ট্রাফিক) মো. মোস্তফা কামাল বলেন, তাদের নিয়োগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন ব্যাপারে দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন)। এদিকে ইবনে হাসানের সাথে এ ব্যপারে কথা বলতে ফোন করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি ফোন কেটে দেন। এরপর আবারো তাকে ফোন করা হলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ওদিকে তার স্ত্রী কানিজ হাসানকেও ফোনে পাওয়া যায়নি।